১৫ দিনের আবহাওয়া পূর্বাভাস (২১ শে মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত)
আগামী ১৫ ই মার্চ থেকে শুরু করে ২২ শে মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের উপর দিয়ে একটি শক্তিশালী পশ্চিমা লঘুচাপ অতিক্রমের প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে। এই পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা রাজ্যের উপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে। আগামী ১৫ মার্চ শুরুর দিনে অল্প কয়েকটি জেলার উপরে বিচ্ছিন্ন ভাবে বজ্রপাত সহ বৃষ্টিপাতের আশংকা রয়েছে। ১৬ ই মার্চ থেকে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার আশংকা করা যাচ্ছে।
নিচে উল্লেখ করা হলও কোন দিন কোন বিভাগের জেলাগুলোর উপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রম করার আশংকা করা যাচ্ছে।
১৪ ই মার্চ: সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগের জেলাগুলো
১৫ ই মার্চ: খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা বিভাগের জেলাগুলো
১৬ মার্চ: পুরো দেশ শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল আশংকা।
১৭ ই মার্চ: পুরো দেশ শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল আশংকা।
১৮ ই মার্চ: রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের জেলাগুলো
১৯ শে মার্চ: বিচ্ছিন্ন ভাবে দেশের বিভিন্ন জেলার উপরে অপেক্ষাকৃত হালকা মানের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
২০ শে মার্চ: পুরো দেশের উপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল আশংকা।
২১ শে মার্চ: বিচ্ছিন্ন ভাবে দেশের বিভিন্ন জেলার উপরে অপেক্ষাকৃত হালকা মানের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
===========
উপরে উল্লেখিত পূর্বাভাস আজ ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিদিন নতুন তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে উল্লিখিত বিভাগসমূহে পূর্বাভাস পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লিখিত সময়কালে বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যের উপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি এবং তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিষয়ে অধিকাংশ আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল মোটামুটি একমত। তবে ঠিক কোন দিন কোন বিভাগের উপর দিয়ে এবং দিন বা রাতের কোন সময়ে ঝড় অতিক্রম করবে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
অতএব, উপরে উল্লেখিত পূর্বাভাসকে অগ্রিম সতর্কতা হিসেবে গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সাধারণত ৭–১০ দিন আগের পূর্বাভাসে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকে, তবে ১–৩ দিন আগে দেওয়া পূর্বাভাসের মাধ্যমে অনেক বেশি নির্ভুলভাবে বলা যায় যে কোন বিভাগের উপর দিয়ে এবং সম্ভাব্য কোন সময়ে কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রম করতে পারে।

