পাহাড়ধস, পাহাড়ি ঢল, ও বন্যার প্রবল আশঙ্কা চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমি লঘুচাপের প্রভাবে রবিবার সকাল ৯টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় ২০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টার মধ্যে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় আরও ২০০–৩০০ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ১০০–২০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই অতিবৃষ্টির কারণে ইতোমধ্যে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পাহাড়ি ঢল নেমেছে। মাতামুহুরী নদীর পানি ইতোমধ্যে বন্যা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সন্ধ্যার মধ্যেই মাতামুহুরী ও সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এদিকে, বান্দরবানের লামা উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা শুরু হয়েছে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে পাঠানো ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নদীগুলোতে তীব্র পাহাড়ি ঢল নেমেছে এবং অনেক স্থানে নদীর পানি তীর উপচে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আজ থেকে আগামী ৭২ ঘণ্টা কক্সবাজার, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ি ঢল, পাহাড়ধস এবং আকস্মিক বন্যার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। সতর্কতা
======= ----> পাহাড়ের ঢাল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
-----> পাহাড়ি ছড়া, খাল ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় অপ্রয়োজনীয় চলাচল থেকে বিরত থাকুন। ------> ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড় কাটা এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন। ------> স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে পরবর্তী আপডেট প্রকাশ করা হবে। বিশেষ দ্রষ্টব্য:
=============
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলার আবহাওয়াবিদ আ্যাপ ব্যবহারকারীদের বিশেষ করে কক্সবাজার, ও বান্দরবান জেলার ব্যবহারকারীদের বিনীত ভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে আ্যাপের মাঠ প্রতিবেদেন অংশ ব্যবহার করে বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধ্বসের ছবি পাঠানোর জন্য।

